সাংবাদিক নিয়োগঃ
আজকের নোয়াখালী শিক্ষানবীশ সাংবাদিক নিয়োগ - আগ্রহীরা সিভি পাঠিয়ে দিন আমাদের মেইলঃ ajkernoakhali2019@gmail.com এ
বিপন্ন প্রজাতির মাছের কৃত্তিম আবিষ্কার: নোবিপ্রবি শিক্ষকদের সাফল্য!

বিপন্ন প্রজাতির মাছের কৃত্তিম আবিষ্কার: নোবিপ্রবি শিক্ষকদের সাফল্য!

দীর্ঘদিন গবেষণার পর বিপন্ন দেশি প্রজাতির কিছু মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য পেয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) একদল গবেষক। মাছের এই বিপন্ন প্রজাতিগুলো হলো- রানী/দাড়ি/বৌরানী, গুতুম এবং টেংরা।

এই গবেষকদলের নেতৃত্বে ছিলেন নোবিপ্রবির সহকারী অধ্যাপক ড. শ্যামল কুমার পাল। গবেষকদলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- ড. শ্যামলের অধীনে অধ্যয়নরত নাজমুল হাসান, সৃজন সরকার, কাজী ফরিদুল হাসান, মাজহারুল ইসলাম, মিঠুন দেবনাথ, তৌফিক হাসান, প্রনব ভক্ত ও মামুন অর রশিদ।
জানা যায়, গবেষকদল গত আগস্ট মাসে বিপন্ন দেশি জাতের কিছু মাছের কৃত্রিম প্রজনন নিয়ে গবেষণা শুরু করেন কুমিল্লার নাঙ্গোলকোট বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন কেন্দ্রে। তাঁরা এই বিপন্ন প্রজাতিগুলোর ব্রুড ফিশ (মা মাছ) সংগ্রহ করেন বৃহত্তর নোয়াখালী, ময়মনসিংহ এবং সুনামগঞ্জের বিভিন্ন প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে। মাছ সংগ্রহ করার পর দীর্ঘদিন লালন পালন করা হয় কৃত্রিম ভাবে প্রজননের উপযুক্ত করার জন্য। পূর্ণ প্রস্তুতি শেষে গত ২৮ এপ্রিল বিভিন্ন উদ্দীপক হরমোন প্রয়োগ করা হয়। ফলে মাছের প্রজাতিগুলোতে পরদিন কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য দেখা যায়।
এনএটিপি-২ এর অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পে সহযোগিতা করেন বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন কেন্দ্র ও হ্যাচারী টেকনিশিয়ান উত্তম বসু এবং নোবিপ্রবির সহকারী অধ্যাপক সুপ্রতীম কুমার ভক্ত।

বিপন্ন প্রজাতির এসব মাছ সম্পর্কে ড. শ্যামল কুমার পাল বাংলা কাগজকে বলেন, বিপন্ন প্রজাতির এসব মাছ রক্ষা করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এদের লালন পালন নিয়ে গবেষণা চলছে। আশা করি শিগগিরই এটা সরকারের কাছে এর ব্রিডিং টেকনোলজি এবং লার্ভা রেয়ারিং টেকনোলজি হস্তান্তর করা হবে।
দীর্ঘদিন গবেষণার পর এই বিপন্ন জাতের মাছের কৃত্রিম প্রজননে তাঁরা সফল হয়েছেন বলে জানান ড. শ্যামল কুমার পাল।

সাজ্জাদ যোবায়ের
নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

শেয়ার করুন