সাংবাদিক নিয়োগঃ
আজকের নোয়াখালী শিক্ষানবীশ সাংবাদিক নিয়োগ - আগ্রহীরা সিভি পাঠিয়ে দিন আমাদের মেইলঃ ajkernoakhali2019@gmail.com এ
নোয়াখালীর সোনাপুরে সরকারি জমি ও খাল দখলমুক্ত হচ্ছে

নোয়াখালীর সোনাপুরে সরকারি জমি ও খাল দখলমুক্ত হচ্ছে

রাইহাতুল ইসলাম রাহাত; আজকের নোয়াখালী:

নোয়াখালী শহরের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে শহরের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ ছাগলমারা খাল, সোনাপুর-চরজব্বার খাল, সোনাপুর-নোবিপ্রবি খাল অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে মুক্ত করা হচ্ছে।

গত শনিবার (২৪ আগষ্ট) সকালে ঐতিহ্যবাহী সোনাপুর বাজারের জিরো পয়েন্টে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা শুরু করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত এ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে সেনাবাহিনীকে। এর আগে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন থেকে ঘোষনা দেয়া হয়, জনগনের ভোগান্তি কমাতে সরকারী জমি ও খাল দখল মুক্ত করতে এই অভিজান চলতে থাকবে।

দীর্ঘদিন থেকে দখল, দূষণ আর সংস্কারের অভাবে নোয়াখালী শহরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এক সময়ের প্রবাহমান ছাগলমারা খাল, সোনাপুর-চরজব্বার খাল ও সোনাপুর-নোবিপ্রবি খাল অস্তিত্ব হারাতে বসছে। শহরের পানি নামার পথে খালগুলো দখল করে তৈরি করা হয়েছে বাড়িঘর, দোকানপাটসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা। যার কারণে প্রতি বছর বর্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শহরের বেশির ভাগ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এ সময় বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পথঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। যার কারণে শহরবাসী দীর্ঘদিন অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে উদ্ধার করে পুনর্খনন করে জলের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দাবি জানিয়ে আসছে।

অবশেষে জেলা প্রশাসন, পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে বিএডিসির মাধ্যমে গত ২৭ জুন থেকে মাইজদী পৌর বাজারের সামনে থেকে ছাগলমারা খাল দখলমুক্ত করে পুনর্খনন কাজ করা হয়। সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের সার্বিক তত্ত্বাবধানে খালের দুই পাশ দখল করে গড়ে তোলা দোকানপাট, বাড়িঘর, পুল-কালভার্টসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে খালের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে খনন কাজ চলে।

এরপর গতকাল শনিবার সকাল থেকে সোনাপুর বাজারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে খালের উপর নির্মিত শত শত অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।  এ ব্যাপারে নোয়াখালী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, মাইজদী থেকে সোনাপুর পর্যন্ত ছাগলমারা খাল, সোনাপুর-চরজব্বার খাল, সোনাপুর-নোবিপ্রবি খালের উপর সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খনন কাজ এগিয়ে নেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কাউকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। যে কোনো মূল্যে এ খালগুলো আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানান তিনি।

 

শেয়ার করুন