সাংবাদিক নিয়োগঃ
আজকের নোয়াখালী শিক্ষানবীশ সাংবাদিক নিয়োগ - আগ্রহীরা সিভি পাঠিয়ে দিন আমাদের মেইলঃ ajkernoakhali2019@gmail.com এ
নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন প্রধানমন্ত্রীর কাছে যা চাইলেন

নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন প্রধানমন্ত্রীর কাছে যা চাইলেন

মোঃ রাইহাতুল ইসলাম- রাহাত,  আজকের নোয়াখালী:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলার সময় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস ও সিভিল সার্জন ডা. মুমিনুর রহমান এর নিকট করোনার সর্বশেষ খবর ও করোনা মোকাবেলায় প্রশাসনের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। নোয়াখালীর সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী’কে বিস্তারিত জানানোর পাশাপশি নোয়াখালীতে ১শ বেডের একটি অস্থায়ী হাসপাতাল স্থাপন ও লোকবল নিয়োগ, আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন সহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস ও সিভিল সার্জন মুমিনুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসব দাবি প্রেস করেন।

 

ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে প্রথমে জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস ও পরে সিভিল সার্জন ডা. মুমিনুর রহমান বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পার্কে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’কে অভিহিত করেন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এবং জনসাধারনকে সচেতন করতে জেলা প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জানানোর পরপরই জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস নোয়াখালীতে একটি করোনা পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্থক্ষেপ কামনা করেন।

.

জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের বৃহত্তর নোয়াখালীতে একটি মেডিকেল কলেজ রয়েছে (আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)। যাতে অত্যাধুনিক ল্যাব ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ডাক্তারগন রয়েছেন। তাই প্রবাসী প্রবণ এই জেলার মানুষের জন্য করোনা পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন”।

 

এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোয়াখালীর সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে সিভিল সার্জন ডা. মুমিনুর রহমান বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিহিত করেন।
.
ডা. মুমিনুর রহমান বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উন্নত দেশের মতো নোয়াখালীতে করোনা রোগীদের জন্য একটি ১শ বেড এর অস্থায়ী হাসপাতাল স্থাপন ও লোকবল নিয়োগের প্রয়োজন”। এসময় প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করে বলেন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল কত বেড এর? 
উত্তরে সিভিল সার্জন বলেন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কিন্তু এতে রোগী থাকে ৭শ’র বেশি।
.
এসময় প্রধানমন্ত্রী’কে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের সকল দাবী মনযোগ সহকার শুনে কাগজে কিছু লিখতে দেখা গেছে। পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নোয়াখালী এখন পর্যন্ত করোনা মুক্ত একটি জেলা।  নোয়াখালী জেলায় যেহেতু প্রবাসীর সংখ্যা বেশি তাই বিদেশ থেকে যাতে কারো কোন আত্নীয় এখন দেশে না আসে সে জন্য সবাইকে তাগিদ দিন। এসময় অন্য জেলার সাথে নোয়াখালীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার ইঙ্গিতও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
.
.

শেয়ার করুন