সাংবাদিক নিয়োগঃ
আজকের নোয়াখালী শিক্ষানবীশ সাংবাদিক নিয়োগ - আগ্রহীরা সিভি পাঠিয়ে দিন আমাদের মেইলঃ ajkernoakhali2019@gmail.com এ
‘ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশানাল’ নোয়াখালী জেলা শাখার পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল নোয়াখালীতে ৩খুনের মামলার আসামী গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ব্যারিস্টার মওদুদের মৃত্যুতে নোয়াখালী বিভাগ আন্দোলনের শোক বার্তা মারা গেছেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ইতালীর হাসপাতালে মারা গেলেন নোয়াখালীর আনোয়ারা বেগম নোয়াখালীতে মেয়রের গ্রেফতারের দাবিতে হেফাজতের বিক্ষোভ সমাবেশ নোয়াখালীতে করোনা টিকা প্রয়োগ শুরু, প্রথম টিকা নেবেন এমপি একরাম ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন এর চাটখিল উপজেলা শাখার কমিটি ঘোষণা ‘অবশেষে হরতাল প্রত্যাহার’ করলেন বসুরহাট পৌরসভার আলোচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা
তৃণমূল নেতা-কর্মীদের আস্থাভাজন ঈমন ভট্ট

তৃণমূল নেতা-কর্মীদের আস্থাভাজন ঈমন ভট্ট

 

মো. রাইহাতুল ইসলাম রাহাত, আজকের নোয়াখালী:

আওয়ামী রাজনীতি, খেলাধুলা, সংস্কৃতি, সামাজিক  অঙ্গন সহ অন্যান্য মহলে প্রিয় মুখ ইমন ভট্ট। মাঠ পর্যায়ে ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী থেকে পথচলা শুরু, বর্তমানে জেলা যুবলীগের শীর্ষ পদে রয়েছেন। ব্যাক্তিগত এবং রাজনৈতিক ক্যারিয়ার মিলিয়ে তিনি সামাজিক ভাবে ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে সর্ব মহলে পরিচিত।

পরিবারের সবাই আওয়ামী রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকায় পারিবারিক সূত্রেই রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ইমন ভট্ট। বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও ছবি নির্মাতা, বিশিষ্ট লেখক জনাব প্রণব ভট্টের ভাতিজা তিনি।  পারিবারিক শিষ্ঠাচারে আবদ্ধ হয়ে তিনি নিজেকে আশপাশের মানুষের কাছে ভালো মনের মানুষে পরিণত করেছেন।

স্কুল জীবনেই তিনি খেলাধুলার পাশাপাশি ছাত্রলীগের মিছিলে স্লোগানে কন্ঠ মিলান। ১৯৯১ সালে কলেজ জীবনে এসে সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগ করেন। কোনো প্রকার অন্যায়-অপরাধ কে প্রশ্রয় না দিয়ে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজীর ‍বিরদ্ধে অবস্থান নিয়ে সমাজিক ভাবে তিনি প্রশংশিত হয়েছেন। শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব হিসেবে নয়, ব্যাক্তি জীবনেও ইমন ভট্ট সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে দল-মত নির্বিশেষে সাধারন মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন।

 

দীর্ঘ ছাত্ররাজনীতির পুরষ্কার স্বরূপ ১৯৯৮ সালে নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। দায়িত্ব পেয়েই তিনি নিরলস ভাবে কাজ করেন তৃণমূল পর্যায়ে। মাদক, সন্ত্রাস এবং চাঁদাবাজীর সাথে জড়িত কাউকে কখনো তিনি প্রশ্রয় দেননি। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে জেলা ছাত্রলীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করেছেন। ইমন ভট্ট সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন। আওয়ামীলীগ তখন বিরোধী দলে, ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে। জেলা শহরে বিএনপি-জামায়াত সরকারের ভয়ে কোনো নেতা-কর্মী রাজপথে নামতে সাহস পেতো না। বিএনপি-জামায়াতের শত অত্যাচার, জেল, জুলুম সহ্য করে ঐক্যবদ্ধ ছাত্রলীগকে এগিয়ে নিয়ে যান।

 

যার ফলে তৎকালীন ক্ষমতাশীল দলের প্রধান টার্গেটে পরিণত হন। ১/১১ (ওয়ান ইলেভেন) ইমন ভট্টকে রাতের অন্ধকারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন তুলে নিয়ে যায়, দীর্ঘ কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে আসেন। এরপর ২০০৮ এর নির্বাচনে তার ভূমিকা ছিল অকল্পনীয়। নিজ যোগ্যতায় ২০১২ সালে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী-যুবলীগ এর যুগ্ন-আহবায়ক এর দায়িত্ব পান। ছাত্রলীগের পাশাপাশি জেলা যুবলীগকে সুসংগঠিত করার জন্য দলের অতন্দ্র প্রহরীর মত কাজ করে যান ইমন ভট্ট। এই কাজের মূল্যায়ন হিসেবে ২০১৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত জেলা যুবলীগের আহবায়ক এর দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রলীগ-যুবলীগের দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় জেলার তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে টেন্ডারবাজী, চাঁদাবাজী ও দখলদারিত্বকে আশ্রয়-প্রশ্রয় না দেয়াতে সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন।

নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীর কাছে অত্যান্ত প্রিয় মুখ বাবু ইমন ভট্ট। তিনি নিজ গুণে সর্ব মহলে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ জনগণের ভালোবাসা কুড়িয়ে নিয়েছেন বলেই আসন্ন নেয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র পদের জন্য জেলা আওয়ামীলীগ মনোনিত অন্যান্য নেতাদের সাথে ঈমন ভট্টের নামটিও তালিকাতে স্থান পায়।

 

 

শেয়ার করুন