সাংবাদিক নিয়োগঃ
আজকের নোয়াখালী শিক্ষানবীশ সাংবাদিক নিয়োগ - আগ্রহীরা সিভি পাঠিয়ে দিন আমাদের মেইলঃ ajkernoakhali2019@gmail.com এ
‘ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশানাল’ নোয়াখালী জেলা শাখার পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল নোয়াখালীতে ৩খুনের মামলার আসামী গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ব্যারিস্টার মওদুদের মৃত্যুতে নোয়াখালী বিভাগ আন্দোলনের শোক বার্তা মারা গেছেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ইতালীর হাসপাতালে মারা গেলেন নোয়াখালীর আনোয়ারা বেগম নোয়াখালীতে মেয়রের গ্রেফতারের দাবিতে হেফাজতের বিক্ষোভ সমাবেশ নোয়াখালীতে করোনা টিকা প্রয়োগ শুরু, প্রথম টিকা নেবেন এমপি একরাম ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন এর চাটখিল উপজেলা শাখার কমিটি ঘোষণা ‘অবশেষে হরতাল প্রত্যাহার’ করলেন বসুরহাট পৌরসভার আলোচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা
পেঁয়াজ সিন্ডিকেট অধরা, ২০ দিনে ভোক্তার পকেট থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে ৫৭২ কোটি টাকা

পেঁয়াজ সিন্ডিকেট অধরা, ২০ দিনে ভোক্তার পকেট থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে ৫৭২ কোটি টাকা

আজকের নোয়াখালী; বিশেষ প্রতিনিধি:

মোকাম থেকে পাইকারি ও খুচরা বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক। এরপরও সারা দেশে বেসামাল পেঁয়াজের বাজার। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পুরনো সেই শক্তিশালী কারসাজি চক্রই (সিন্ডিকেট) এ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

চক্রের সদস্যরা কারসাজি করে ২০ দিনে চার ধাপে ভোক্তার পকেট থেকে কেটে নিয়েছে ন্যূনতম ৫৭২ কোটি টাকা। ভোক্তারা বলছেন, সরকার ক্যাসিনো কারবারিদের ধরছে। কিন্তু বাজার পরিস্থিতি যে বা যারা নষ্ট করছে, তাদের ধরার কেউ নেই।

১২ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৫০-৫৫ টাকা কেজি। পরদিন ভারত পেঁয়াজের রফতানি মূল্য বাড়িয়ে ৮৫২ ডলার করে। এ খবরে সেদিন দেশের বাজারে ২৫-৩০ টাকা বাড়িয়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৮০ টাকা। এই দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয় ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, দেশে প্রতিবছর পেঁয়াজের চাহিদা থাকে ২৪ লাখ টন। সে হিসাবে এক মাসের চাহিদা ২ লাখ টন। এক দিনে চাহিদা ৬ হাজার ৬৬৬ টন। এ হিসাবে এক দিনে ৩০ টাকা বাড়ানো হলে ১১ দিনে ভোক্তার পকেট থেকে কাটা হয়েছে ২১৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

২৪ সেপ্টেম্বর সংকটের কথা জানিয়ে নতুন করে ৫ টাকা বাড়িয়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৮৫ টাকায়। যা দু’দিন বিক্রি হয়। এ দু’দিনে ভোক্তার পকেট থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে অতিরিক্ত ৪৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

এরপর ২৬ সেপ্টেম্বর আরও ৫ টাকা বাড়িয়ে ৯০ টাকা বিক্রি শুরু করে সিন্ডিকেট। ২৯ সেপ্টেম্বর বিকাল পর্যন্ত ওই দরে বিক্রি করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দৈনিক বিক্রির হিসাব অনুযায়ী এ সময়ে প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ টন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ওই দরে। এতে ভোক্তার পকেট থেকে সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিয়েছে ১০৬ কোটি টাকা।

ভারত থেকে আমদানি বন্ধের অজুহাতে ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এক লাফে পেঁয়াজের দাম ৩০-৩৫ টাকা বাড়িয়ে ১২০-১২৫ টাকা বিক্রি করা হয়। মঙ্গলবার পর্যন্ত সেটি অব্যাহত ছিল। আরও দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় এ সময়ে ভোক্তারা সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ কিনেছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ সময়ে দৈনিক গড়ে প্রায় ৮ হাজার টন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত তিন দিনে এতে ভোক্তার পকেট থেকে অতিরিক্ত কেটে নেয়া হয়েছে ১৮০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এ চার ধাপে ভোক্তার পকেট থেকে ন্যূনতম ৫৭২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন